পিরিয়ড না হলে কি খাওয়া উচিত - পিরিয়ড বন্ধ করার ৭ টি ট্যাবলেট

 

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। প্রিয় বন্ধুরা আজকে তোমাদের সামনে আলোচনা করব,পিরিয়ড না হলে কি খাওয়া উচিত, পিরিয়ড না হওয়ার কারণ কি কি। এবং কি কি উপায়ে আমরা আবার পিরিয়ড চালু করতে পারি, কিংবা দ্রুত মাসিক হওয়ার উপায়। এবং মাসিক না হলে আপনার কি কোন সমস্যা হবে? এই সকল বিষয় নিয়েই আজকে আপনাদের সামনে কিছু কথা বলব। আমি মনে করি আজকের পোস্টটি আপনার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
পিরিয়ড না হলে কি খাওয়া উচিত - পিরিয়ড বন্ধ করার ৭ টি ট্যাবলেট
আসলে কিছু কিছু কথা আছে যেগুলা সবার সাথে শেয়ার করা যায় না। তো এই সকল কিছু বিষয় আপনাদের সামনে আমরা তুলে ধরি। তো আজকে আপনাদের সামনে এই গুরুত্বপূর্ণ একটি টপিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব মাসিক না হওয়ার কারণ সম্পর্কে, আশা করি নিম্নে পুরো পোষ্টটি পড়লে আপনি উপকৃত হবেন ইনশাল্লাহ।

ভূমিকা

পিরিয়ড / অর্থাৎ যেটাকে বাংলায় বলা হয় মাসিক। আসলে এটা এমন একটি বিষয় যে এ বিষয়টা সকলের সাথে অর্থাৎ বন্ধু-বান্ধব কিংবা আরো কাছের যেই মানুষগুলো আছে এসব মানুষদের কাছে শেয়ার করা যায় না। তো এই সকল বিষয়গুলো শেয়ার না করে আমাদের থাকা উচিত নয়। আর এটা আমরা শেয়ার করব আমাদের মায়ের কাছে।

যদি এই সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে বাড়িতে মায়ের সাথে আলোচনা করি তাহলে এটা আমাদের জন্য একটি বড় ঝুঁকি হয়ে দাঁড়াতে পা্রে। চলুন জেনে আসি মাসিক না হওয়ার কারণগুলো কি কি। আসলে মাসিক না হওয়ার বিভিন্ন রকমের কারণ আছে। অনেকগুলা কারণের মধ্যে অন্যতম একটি কারণ হলো ডিম্বাশয় এর ত্রুটি বা আপনার শিষ্ট হরমোনের যে তারতম্য জনিত সমস্যা রয়েছে অর্থাৎ অপুষ্টি এইটা।
অর্থাৎ বিভিন্ন সময়ে অপুষ্টির কারণে এরকম সমস্যা দেখা দেয়। আবার অপুষ্টির মানে কেবল শুধু আপনার ভগ্ন স্বাস্থ্য নয়। সেটা আপনার শারীরিক দুর্বলতা কিংবা আপনি অতিরিক্তভাবে শুকিয়ে যাওয়া ও একটি অপুষ্টির লক্ষণ। হলো কখনো কখনো আমাদের সন্তান যখন করে সেই সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়, আর সন্তান প্রসবের সময় যে রক্তক্ষরণগুলো হয় এইটাতে আমাদের যে মস্তিষ্ক রয়েছে মস্তিষ্কের পিটুইটারিং গ্রন্থি এইটা ক্ষতিগ্রস্ত হয় অনেকটা। তো আসলে এই সমস্ত কারণেই আমাদের অনেক সময় মাসিক বন্ধ হয়ে থাকে অর্থাৎ মাসিক না হওয়ার কারণ কি ? আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

পিরিয়ড বন্ধ করার ট্যাবলেট

আমরা জানি যে মাসিক হলো একটি সম্পূর্ণরূপে সম্পূর্ণভাবে প্রাকৃতিক একটি প্রক্রিয়া, যেটাতে কিনা মানুষের কোন হাত নেই কিংবা মানুষ কিছু করতেও পারে না। সুতরাং মাসিক যেহেতু একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া সুতরাং মাসিক না হলে যে ওষুধ সেবন অথবা কোন কৃত্রিম উপায়ে আপনি আপনার মাসিক ঘটানো কিংবা বন্ধ করার কোন স্থায়ী সমাধান করতে পারবেন না। তবে যদি আবার আপনার কাছে একেবারেই কোন উপায় না থাকে।

তাহলে আপনি এই কিছু বিশেষ ওষুধ রয়েছে এগুলো আপনি গ্রহণ করতে পারেন। আপনি আপনার এই মাসিক নিয়মিত করার জন্য, অর্থাৎ বন্ধ হয়ে আছে আপনি আবার চালু করতে চাচ্ছেন তো এরকম ভাবে চালু হওয়ার পরে নিয়মিত মাসিকটা হওয়ার জন্য আপনি বিভিন্ন কোম্পানির ওষুধ ব্যবহার করতে পারেন। আর আসলে মাসিক নিয়মিত করার যে ট্যাবলেট গুলো আছে এগুলো আমাদের শরীরের ন্যাচারাল হরমোনের ওপর দিয়ে কাজ করে থাকে এবং যাদের মাসিকর সমস্যা রয়েছে তাদের অনিয়মিত মাসিক থেকে এটা মুক্তি দেয়। নিম্নে কিছু মাসিক হওয়ার ট্যাবলেটগুলো নাম বর্ণনা করা হলোঃ
  • (Ethinor, Tablet)>>Eskayef Company.
  • (Feminor Tablet)>> Acme Company.
  • (Menorl Tablet)>> Square Company.
  • (Mensil N, Tablet)>> Health Care Company.
  • (Noteron Tablet)>> Incepata Company.
  • (Menogia Tablet)>> ACI Company.
  • (Norestin Tablet)>> Nuvista Company.
আশা করি এই ওষুধগুলো নিয়মিত খেলে আপনি আপনার মাসিক টাকে আবার নিয়মিত করতে পারবেন। এবং জানতে পারলেন মাসিক না হওয়ার কারণ  সুতরাং আরও যে প্রাকৃতিক ঘরোয়া উপায় গুলো রয়েছে সেগুলো আপনি ফলো করতে পারেন।

তারিখ অনুযায়ী মাসিক না হওয়ার কারণঃ

আসলে তারিখ অনুযায়ী মাসিক না হওয়ার পেছনে অনেকগুলো কারণ হতে পারে, যেমন আপনার যদি পিসিওএস এর কোন সমস্যা থাকে কিংবা থাইরয়েডের কোন সমস্যা যদি হয় তাহলে মেন্সুরুয়াল সাইকেল এটা পিছিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আবার আপনার যদি বেস্ট ফিডিং মেনু পাস সংক্রান্ত এই সকল বিষয়গুলো যদি হয় তাহলেও আপনার এই মাসিকটা নির্ধারিত সময়ে তারিখ অনুযায়ী হবে না।

আর চিকিৎসকদের মত হল সাধারণত প্রতি মাসে ২১ থেকে ৩৫ দিনের মধ্যে মাসিক হয়। আর আমরা জানি যে তারিখ অনুযায়ী যদি আমাদের এই মাসিকটা না হয় সেটা আমাদের জন্য আমাদের শরীরের জন্য কোন ভালো দিক হতে পারে না। আর এই তারিখ অনুযায়ী যে মাসিক আমাদের হয় না, এই না হওয়ার পেছনে মূল সমস্যাটি হচ্ছে এক ধরনের হরমোনের তারতম্যের কারনে, আর সেটাকে যেটা বলা হয়ে থাকে সেটা হলো পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম।

আর এইটা হল নির্ধারিত সময়ে অর্থাৎ তারিক অনুযায়ী মাসিক না হওয়ার একটি অন্যতম। আর তাছাড়া তো জানেনই যে এইটা ছাড়াও আরো অন্যান্য অনেকগুলো কারণ রয়েছে তার মধ্যে একটি হলো শারীরিক সুস্থতার উপরে, কারণ আপনি যদি শারীরিকভাবে সুস্থ না থাকেন তাহলে আপনার এই নির্ধারিত সময়ে মাসিক টা হয় না। যেমন ধরুন অনেক সময় আমাদের সর্দি-কাশি গলা ব্যথা জ্বর ইত্যাদি আরো নানা রকমের অসুস্থতায় আমরা ভুগি আর এরকমভাবে শরীর যদি অসুস্থ থাকে তাহলে সে ক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী মেয়েদের মাসিক হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।
তাছাড়া ও আপনার এই নির্ধারিত সময় অনুযায়ী অর্থাৎ তারিক অনুযায়ী মাসিক না হওয়ার আরেকটি কারণ হলো আপনার শরীরের ওজনের অনেকটা তারতম্যের কারণে। কারণ আপনার শরীর যদি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায় আপনার ওজন যদি অনেক বেশি হয়, এবং আপনি যদি অনিয়মিত ভাবে খাবার খান, কিংবা মানসিক চাপের মধ্যে থাকেন, তাহলেও এই সমস্যাটি হয়।

আর অপরিপক্ক ডিম্বাশয় এর কারনেও সাধারণত আমরা তারিখ অনুযায়ী মাসিক হওয়াটা দেখতে পায় না। তাছাড়া আপনার জরায়ুর বিভিন্ন রকমের সংক্রান্ত হওয়ার কারণে তারিখ অনুযায়ী মাসিক হয় না, যেমন ধরেন-জরায়ুতে টিউমার, জরায়ু ক্যান্সার, কিংবা ফাইব্রয়েড হয়ে থাকলে আপনার তারিখ অনুযায়ী মাসিক টা হবে না। আবার এই মাসিক না হওয়ার একটি বড় ধরনের কারণ হলো, জন্মনিরোধক বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করা হলে আপনি মিস ক্যারেট যেই কারণে মাসিকটা তারিখ অনুযায়ী হয় না, এটা আবার মাসিক হওয়ার নির্দিষ্ট সময় তারতম করে দিতে পারে। আশা করি মাসিক না হওয়ার কারণ কি বুঝতে পেরেছেন।

মাসিক না হলে কি বাচ্চা হওয়ার সম্ভাবনা থাকেঃ 

আসলে আমরা সকলে জানি যে মাসিক একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া, তেমনিভাবে এটার সাথে সন্তান জন্ম হওয়ার কোন সম্পর্ক নেই, কারণ সৃষ্টি কর্তা আপনার যেটা ভালো চান তিনি সেটাই করেন। তবে চিকিৎসকদের কিছু কিছু মতামত আছে যেগুলো হলো, কোন মাসে যদি আপনার মাসিক না হয় তবে তা প্রেগনেন্সির সবথেকে বড় একটি চিহ্ন বলা হয়ে থাকে।

আমরা জানি যে মাসিক চক্রটা যেটা আছে সেটা ২৪ থেকে ৩৮ দিনের মধ্যেই হয়ে থাকে। আর এই সময়ের মধ্যে যদি কোন মহিলা মানুষের মাসিক না হয় তাহলে সেটা ধরে নেওয়া যেতে পারে যে সে মহিলাটা গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা আছে। আর ঠিক সময়ে এই মাসিক না হওয়ার অর্থ দাঁড়ায় হঠাৎ গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা।

তাছাড়া সাধারণভাবে কোন নারী যখন কোন পুরুষ মানুষের সাথে মিলন ঘটায় তখন পুরুষের শুক্রাণু এবং নারীর ডিম্বানুর সাথে নিযুক্ত হয় এটা আমরা জানি। তার কারণ মেয়েদের যৌনি পথের ফেলোপিয়ান টিউবে এই যে নিষিদ্ধ ডিম্বাণু ও শুক্রাণু সংযুক্ত হওয়ার অর্থ এই ধারায় যে এই নারী এখন গর্ভধারণ করেছে। আর এই গর্ভের সন্তান প্রসব না করা পর্যন্ত মেয়েদের এই মাসিক ঋতুস্রাব হবে না।

আর তাই সাধারণত আমরা করে থাকি যে, মেয়েদের মাসিক না হলে এই মেয়েটি এখন গর্ভধারণ করেছে। আর তার ফলে সে এখন বাচ্চা জন্ম দেওয়ার অপেক্ষায় করবে। তবে আরো অন্য অনেক কারণে মাস একটু চুপচাপ বন্ধ হয়ে যেতে পারে যেগুলা উপরে আলোচনা করা হয়েছে। আর এটা কিভাবে আবার আপনি চালু করবেন সেটার ও পরামর্শ উপরে বিস্তারিত দেওয়া। অর্থাৎ গর্ভধারণের প্রধান লক্ষণ হিসেবে মাসিক বন্ধ হওয়াকে আমরা ধরে নিয়ে থাকি। তাছাড়া গর্ভাবস্থার প্রাথমিক আরো কিছু বেশ কিছু লক্ষণ রয়েছে।

যেমন স্বাভাবিকভাবেই একটি মেয়ে যখন গর্ভধারণ করবে তার আগে তার শরীরের বিভিন্ন রকম অস্বাভাবিক পরিবর্তন ও উপসর্গ দেখা দেয়। তাহলে বোঝা গেল যে আসলে মাসিক না হওয়ার অন্যতম একটি কারণ হলো যে আপনার বাচ্চা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যদিও সন্তান দেওয়ার মালিক সৃষ্টি কর্তা। তবুও এটি একটি আমাদের বোঝার কারণ আর কি, আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

দ্রুত মাসিক হওয়ার উপায়

আমরা উপরে জেনেছি যে কিভাবে মাসিক নিয়মিত করা যায় বন্ধ হয়ে থাকলে, আর কি কি ওষুধ খেলে মাসিকটা নিয়মিত হয়ে যায়। তবে এবার জানবো যে দ্রুত এই মাসিকটা কিভাবে কিভাবে হওয়ানো যায়। আসলে দ্রুত মাসিক হওয়ার জন্য মেয়েদেরকে বিভিন্ন রকমের উপায় ফলো করতে হয়। যেমন তার মধ্যে একটি নিয়ম হল যে মেয়েরা নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। তাছাড়া ঘরোয়া কিছু যে পদ্ধতি গুলো আছে এই পদ্ধতি গুলো তাকে মেনে চলতে হবে।

সাথে সাথে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে এবং বিভিন্ন ধরনের ট্যাবলেট তাকে সেবন করতে হবে। তাছাড়া বাড়ির বড়দের কাছ থেকে বিভিন্ন রকমের পরামর্শ নিতে হবে। যে কিভাবে এগুলা তাড়াতাড়ি করানো যায়। কারণ তারা এগুলা জানে যে কিভাবে এই প্রক্রিয়াটা দ্রুত করানো যায়। বিশেষ করে বাড়ির চাচি আম্মা কিংবা দাদি এ সকল ব্যক্তিদের কাছে এ সকল বিষয়ে পরামর্শ করা উচিত। তাছাড়া আপনাকে বিভিন্ন রকমের ভিটামিন অর্থাৎ ভিটামিন সি যুক্ত বিভিন্ন ফল মূল এগুলা থেকে দূরে থাকতে হবে।
অর্থাৎ এগুলা আপনার খাওয়া যাবে না। তাছাড়া আপনি যদি বিভিন্ন রকমের মসলা জাতীয় কিংবা মুড়ি, ধনে, তিল, ইত্যাদি যদি আপনি সেবন করেন তাহলে আপনার এই প্রক্রিয়াটা আবার দ্রুত চালু হবে। এছাড়াও আপনি বাসায় যদি ডাবের গাছ থাকে তাহলে ডাব খাবেন ডাবের পানি খাবেন এবং দারুচিনি ব্যবহার করে দ্রুত আপনি আপনার মাসিক প্রক্রিয়াটা চালু করতে পারবেন।

মাসিক না হলে কি সমস্যা হয়

আসলে মাসিক না হলে এবং সেটা না বললে আপনার কিছু কিছু সমস্যা হতে পারে, যেমন সেগুলো হল-
  • মেয়েদের যদি মাসিক না হয় তাহলে তাদের দেহে টুজেন নামক হরমোনের পরিমাণ কমে যায়।
  • মেয়েদের মাসিক না হলে তাদের শরীরের বিভিন্ন জায়গা কার হাড় গুলো ক্ষয় হতে থাকে।
  • শরীরের কিছু কিছু জায়গা থেকে ভেতরের হারগুলো ভাঙার সম্ভাবনা থাকে।
  • মেয়েদের মাসিক না হলে হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
  • মেয়েদের মাসিক না হলে তাদের স্ট্রোকের ঝুঁকিও এমনকি বেড়ে যায়।
অর্থাৎ যদি মেয়েদের মাসিক না হয়, তাহলে উপরোক্ত এই সমস্যাগুলো দেখা দেয়। তাহলে এখন আমাদের উচিত যে, মাসিক সময় যদি না হয় তাহলে যেইসব সংশ্লিষ্ট উপায় গুলো মানা দরকার সেগুলো আমাদের মেনে চলতে হবে। অর্থাৎ ঘরোয়ায়ে অন্তত আমাদেরকে বিভিন্ন রকমের খাবার খেতে হবে আর যেগুলো বর্জনীয় সেগুলো বর্জন করতে হবে। 

তাছাড়া উপরে কিছু সংশ্লিষ্ট ট্যাবলেট এর কথাগুলো বলা হয়েছে এই ট্যাবলেট গুলো নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করতে হবে, তাহলে আশা করি এই সমস্যাগুলো আর হবে না।

সর্বশেষ পরামর্শ

প্রিয় বোনেরা আশা করি আপনারা আপনাদের প্রশ্নের উত্তর গুলো পেয়ে গেছেন। অর্থাৎ মাসিক না হওয়ার কারণ সম্পর্কে জেনে গেছেন। আসলে এখন আমরা যে সকল বিষয়গুলো বন্ধুদের সাথে কিংবা কারো সাথে শেয়ার করতে পারি না সেগুলাই আমরা ইন্টারনেটে সার্চ দেই। তো কিছু কিছু বিষয় আছে যেগুলো পরিবারের সাথে আলোচনা করা উচিত, কেননা এই সকল বিষয়গুলোতে আপনার নিজের শরীরের ঝুঁকি থাকে। তো আশা করি পুরো পোস্টটা ভালো লেগেছে আপনার কাছে, সুতরাং এইরকম বিষয়ে আরো কিছু জানতে, পুরো ওয়েবসাইট টাতে ভিজিট করে দেখতে পারেন। সকলের সুস্থতা কামনা করে আজকে এখানেই শেষ করছি। আসসালামু আলাইকুম।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ব্লগার জাফর সাহেবের নিতিমালা মেনে কমেন্ট করুন

comment url