পানি খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা

আজকে আমরা জানবো পানি খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে। আমরা অনেকে আছি যারা জানিনা পানি খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা কি কি, এবং এর পাশাপাশি কতটুকু পরিমান পানি আমাদের প্রত্যেকদিন খাওয়া উচিত চলুন জেনে আসি।
পানি খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা
বেশি বেশি পানি পান করার উপকারিতা, এবং পানি কম খেলে আপনার কি কি হতে পারে, এবং সকালে খালি পেটে পানি খাওয়ার কি কি উপকারিতা হয়েছে। এ সকল বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে নিম্নে পুরো পোষ্টটি পড়তে থাকুন।

ভূমিকা

পানি/জল এটির আসলে বিভিন্ন রকমের নাম রয়েছে। তাছাড়াও কথায় আছে যে পানির অপর নাম জীবন। পানি হচ্ছে এমন একটি স্বাদহীন, সচ্ছ, এবং গন্ধহীন এমনকি বর্ণহীন এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ জাগিনা পৃথিবীর জীব - উদ্ভিদ প্রত্যেকটি কোষের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রধান উপাদান। 

পানির কোন বিকল্প নেই। কোন ব্যক্তি যদি প্রত্যেকদিন নিয়মিত পরিমাণ পানি পান করে অর্থাৎ পর্যাপ্ত পরিমাণে তার যতটুকু দরকার এতটুকু যদি সে পানি পান করে তাহলে সে ব্যক্তির বিভিন্ন রকমের রোগ ব্যাধি থেকে সে বাঁচতে পারবে। 
কারণ পানির মধ্যে রয়েছে এমন একটি উপাদান যেটা কিনা আমাদের শরীরের মধ্যে থেকে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকারক পদার্থগুলোকে বের করে দেয়। সুতরাং আমরা অনেকেই জানি না যে পানি খাওয়ার কি কি উপকারিতা রয়েছে এবং আমাদের পানি কি পরিমান খাওয়া উচিত,

বা পানি খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা কি, এ সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই জানা নেই। সুতরাং চলুন আজকে জেনে আসি পানি খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা কি এবং আপনি কি কি উপায়ে পানি পান করতে পারবেন।

বেশি পানি পান করার উপকারিতা

বেশি পানি পান করার উপকারিতা বলতে, আপনি যতই বেশি পানি পান করবেন এটি আপনার শরীরের জন্য তত বেশি ভালো। আপনি যখন বেশি বেশি করে পানি পান করবেন তখন এটি আপনার দ্রুত ওজনকে কমাতে সহায়তা করবে, অর্থাৎ পানি আপনার ওজন বাড়ানো কমানো এর কার্যকারিতা ঠিক রাখবে। কারণ আমরা জানি যে পানির মধ্যে কোন ক্যালরি নেই। 

আর আপনি যদি বেশি পরিমাণ পানি পান করেন, অর্থাৎ আপনি যদি ঘন ঘন পানি পান করেন, তাহলে এটি আপনার জন্য খুবই উপকারী। এমন কি আপনি যত বেশি পানি পান করবেন এতে করে আপনার শরীরের বিভিন্ন বিপাক প্রক্রিয়ায় সহায়তা করবে। এছাড়াও পুষ্টিবিদরা জানিয়েছেন যে পানি পান করা প্রত্যেকটা ব্যক্তির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 

কারণ এটি আপনাদের তৃষ্ণা মিটিয়ে দেয়। এজন্য আমাদের প্রত্যেকেরই বেশি বেশি পানি পান করা উচিত। সে ক্ষেত্রে যখন গরম কাল চলে আসে তখন পানি তো আমাদের প্রত্যেকটা ব্যক্তির জন্য সোনার চেয়েও দামি হয়ে যায়। কারণ আপনি যখন বেশি বেশি পরিমাণ পানি পান করবেন এটি আপনার শরীর ডিটক্স করাতে অনেক উপকারিতা লাভ করবে। 

তাছাড়াও একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের প্রত্যেকদিন দুই থেকে তিন লিটার পানি পান করা প্রয়োজন। তাছাড়া এর ক্ষেত্রে যারা কঠোর পরিশ্রম করে থাকে তাদের ক্ষেত্রে তিন থেকে চার লিটার পানি প্রত্যেকদিন পান করা উচিত। তাছাড়া ও পুষ্টিবিদ রুবাইয়া পারভিন জানিয়েছেন যে যারা মাঠের মধ্যে রোদে প্রচুর পরিমাণ পরিশ্রম করে, 

তাদের ক্ষেত্রে প্রত্যেকদিন চার থেকে ছয় লিটার পানি পান করা উচিত। তাছাড়াও পানি আপনার মেটাবলিজম বৃদ্ধি করতে অধিক বেশি ভূমিকা রাখে। তাই আজ থেকে আর অবহেলা না করে প্রত্যেকদিন পানি পর্যাপ্ত পরিমাণে পান করা। যদি পারেন বেশি থেকে বেশি পানি পান করবেন, এতে করে কোন ক্ষতি আপনার হবে না বরং উপকারিতাই বেশি হবে।

পানি খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা

আসলে পানির অপর নাম জীবন এইটা কে না জানে ? এখন একটা ছোট্ট বাচ্চারাও জানে যে পানি পান করা একটি মানুষের জন্য খুবই উপকারী এবং গুরুত্বপূর্ণ। তবে সে ক্ষেত্রে আপনি যে পানিটা পান করবেন সেটি হতে হবে বিশুদ্ধ পানি। 
আপনার পিপাসা মেটাতে পানির গুরুত্বপূর্ণ অবদান এর পাশাপাশি আপনার শরীরকে ঠিক রাখতে ওজনকে স্বাভাবিক রাখতে পানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে থাকে। এছাড়াও পানি আপনার ত্বককে ফ্রেশ রাখতে, বা উজ্জ্বল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 

আমরা সারাদিন ব্যস্ততার মধ্যে কাটিয়ে দেই আমরা আমাদের ত্বকের কোন যত্ন নিতে পারি না। সে ক্ষেত্রে আপনি যখনই সময় পাবেন তখনই এক থেকে দুই গ্লাস পানি পান করে নিবেন। চলুন জেনে আসি পানি খাওয়ার কিছু উপকারিতা এবং অপকারিতা সম্পর্কে।

উপকারিতা

ইমিউনিটি ক্ষমতা বাড়াতেঃ আপনি যখন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করবেন এটি আপনার শরীরের ইমিউনিটি ক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আসলে মানুষের শরীরের এই যে রোগ হয় অসুস্থ হয় এগুলা হয় সাধারণত মানুষের ইমিউনিটি ক্ষমতা অনেকটা কমে যাওয়ার জন্য। অনেক সময় দেখবেন যে কিছু কিছু মানুষ একটুতেই অসুস্থ হয়ে যায়, অর্থাৎ তাদের অসুস্থ হওয়ার কারণ একমাত্র একটাই যে তাদের ইমিউনিটি ক্ষমতা খুবই কম। সুতরাং আপনি প্রত্যেকদিন নিয়মিতভাবে ইমিউনিটি ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য এক লিটার করে পানি পান করবেন এটি আপনার জন্য খুবই উপকারী।

ত্বক উজ্জ্বল রাখতেঃ আমরা প্রত্যেকেই চাই যেন আমাদের ত্বকটা সব সময় উজ্জ্বল দেখাক। সুতরাং আমরা যদি আমাদের ত্বককে সঠিকভাবে উজ্জ্বল রাখতে চাই তাহলে অবশ্যই আমাদের প্রত্যেকদিন ১ লিটার থেকে ২ লিটার করে পানি পান করা উচিত। তাছাড়াও পানিটা শুধু আপনার ত্বকের জন্য না আপনার ত্বকের যত রকমের এলার্জি কিংবা ব্রণ রয়েছে এ সকল ব্রোন থেকে এলার্জি থেকে আপনাকে মুক্তি দেবে। এজন্য প্রত্যেকদিন নিয়মিত ভাবে আমাদের পানি পান করতে হবে এবং মুখে ঠান্ডা পানি মারতে হবে।

ওজন কমাতে পানিঃ আমাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছে যাদের ওজন অতিরিক্ত অর্থাৎ, মাত্রাতিরিক্তের বাহিরে তাদের ওজন, এমনকি এটি পুরুষ এবং মহিলা উভয়েরই। সুতরাং আমরা যদি আমাদের ওজনকে সঠিক মাত্রায় নিয়ে আসতে চাই তাহলে আমাদের প্রত্যেকদিন পরিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে ১ থেকে ২ লিটার করে। তাছাড়া পানি আপনার শরীরের ক্যালরির পরিমাণ শূন্য থেকে বৃদ্ধি করে দেয়। এছাড়াও পানি আপনার শরীরের মেটাবলিজম বাড়াতে অধিক বেশি ভূমিকা পালন করে।

অপকারিতা

পানি আসলে এমন একটি খাদ্য যেটি কিনা আপনার শরীরের বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। সুতরাং পানির মধ্যে কোন অপকারিতা নেই বললেই চলে। তবে আপনাকে সবসময় মনে রাখতে হবে যে পানির উপকারিতা সম্পর্কে বললে কখনোই শেষ করা যাবে না। তবে এটা মনে রাখতে হবে যে প্রত্যেকটা জিনিসেরই একটি লিমিটেশন রয়েছে। 

আপনি যেকোনো জিনিস যদি মাত্রাতিরিক্ত খান তাহলে সেটি আপনার জন্য ক্ষতিকর হবে। সুতরাং সবসময় আপনাকে নিয়ম করে প্রত্যেকদিন পানি পান করতে হবে। তবে আপনি পানি যত পান করবেন ততই আপনার জন্য শরীরের জন্য ভালো এটা। আশা করি বুঝতে পেরেছেন পানি খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে।

পানির অভাবে কি রোগ হয়

একজন মানুষের বেঁচে থাকার জন্য পানি পর্যাপ্ত পরিমাণে পান করা দরকার। কারণ পানি যদি কোন ব্যক্তি নিয়মিত পানি না করে পানি যদি সঠিকভাবে পান না করে পানি যদি সে কম খায় তাহলে সে বিভিন্ন রকমের বড় বড় রোগের মধ্যে ভুগবে। আপনি যদি নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি না পান করেন তাহলে এটি আপনার অলসতা এবং ক্লান্তির অনুভূতি বাড়িয়ে দিবে। 

আর অনেক সময় আমাদের অলসতা কিংবা ক্লান্তি হয়ে থাকে ডি হাইড্রেশনের ফলে। আর এটি হয় মূলত আপনার শরীরে যখন পানির পরিমাণ কমে যায় তখন মূলত এটি হয়ে থাকে। এছাড়াও পানি যদি আপনার শরীরে কম থাকে আপনার মস্তিষ্কের মধ্যে অক্সিজেন এবং রক্ত উভয়ের চলাচল ক্ষমতাটাই কমে যাবে। যার ফলে কিনা আপনার মস্তিষ্কের ডিহাইড্রেশনবেড়ে যাবে, 

এবং তখন আপনার মধ্যে অলসতা এবং ক্লান্তি চলে আসবে। এজন্য আপনার শরীরের প্রত্যেকটা জয়েন্ট গুলি শক্তিশালী রাখার জন্য আপনার সব সময় পানি খেতে হবে। অর্থাৎ আপনার শরীরের মধ্যে যেন কোন সময় পানির ঘাটতি না থাকে। তাছাড়া পানি যদি আপনি কম পরিমাণে পান করেন এতে করে আপনার কিডনির সমস্যা বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, 

এবং এর পাশাপাশি আপনার মূত্রথলির সমস্যা হয়ে থাকে। তাছাড়া অনেক সময় দেখা যায় পানির অভাবে আমাদের পেটের বুকের মধ্যে গ্যাসের সৃষ্টি করে, এবং সেটির ফলে তখন আমাদের শ্বাসকষ্টের সমস্যা হয়। তাছাড়া পানির অভাবে আমাদের অনেক সময় রক্তস্বল্পতাও দেখা দিয়ে থাকে। সুতরাং আপনি যদি আপনার শরীরকে পুরোপুরি সুস্থ রাখতে চান, তাহলে অবশ্যই আপনাকে প্রত্যেকদিন নিয়মিত পরিমানে পানি পান করতে হবে।

সকালে খালি পেটে পানি খাওয়ার উপকারিতা

আপনি যদি প্রত্যেকদিন সকালে খালি পেটে পানি পান করতে পারেন তাহলে এতে করে এটি আপনার শরীরের বিভিন্ন রকমের নতুন নতুন কোষ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এটি হচ্ছে সবচাইতে বড় উপকারিতা, অর্থাৎ আপনার শরীরে রক্ত কোষ তৈরি করবে। 

তাছাড়াও পানি যদি আপনি প্রত্যেকদিন সকালে খান তাহলে এতে করে আপনার শরীরের রক্ত প্রবাহকে স্বাভাবিক থেকে বৃদ্ধি করে দিবে। তাছাড়া প্রত্যেক দিন সকালে খালি পেটে পানি পান করার ফলে এটি আপনার শরীরের বিভিন্ন রকমের বর্জ্য পদার্থ, দূষিত পদার্থ দূর করে দেয়। 

এজন্য আমাদের সকলের এ অভ্যাসটা করা উচিত যে প্রত্যেকদিন সকালে খালি পেটে অন্তত এক গ্লাস পানি পান করা। চলুন জেনে আসি সকালে পানি পান করার কয়েকটি উপকারিতা সম্পর্কে।

  1. ক্যালোরি কমাতেঃ আপনি যদি প্রত্যেকদিন সকালে নাস্তার পূর্বে এক গ্লাস থেকে দুই গ্লাস পানি পান করেন তাহলে এটি আপনার শরীরের ক্যালরি কমাতে সহায়তা করবে। কারণ পানি পান করার ফলে এটি আপনার পেট ভরা অনুভব হবে। এতে করে আপনার অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ করা লাগবে না। এজন্য চেষ্টা করবেন প্রত্যেকদিন সকালে নাস্তার ১ ঘন্টা থেকে ২ ঘন্টা পূর্বে পানি পান করা।
  2. মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যঃ আপনি যদি প্রত্যেকদিন সকালে ঘুম থেকে উঠেই এক গ্লাস পানি পান করেন এতে করে আপনার মানসিক বিকাশ আগের চাইতে অধিক বেশি বেড়ে যাবে। অর্থাৎ আপনার মানসিক বিকাশ ঘটাতে সহায়তা করবে। আপনার নতুন কিছু শেখার আগ্রহী বাড়বে এবং স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পাবে।
  3. হজম করতে সহায়তার জন্যঃ প্রত্যেকদিন সকালে ঘুম থেকে উঠেই হালকা গরম পানি যদি খান কুসুম কুসুম গরম পানি, তাহলে এটি আপনার হজম প্রক্রিয়াকে দ্বিগুণ করে তুলবে। কারণ কি গরম পানি খাদ্য উপাদানকে ভেঙ্গে ফেলতে সহায়তা করে। এতে করে হজম প্রক্রিয়া বৃদ্ধি পায়।
  4. ত্বককে উজ্জ্বল রাখতেঃ সকালে খালি পেটে পানি পান করলে এটা আপনার ত্বকের জন্য খুবই ভালো। এতে করে আপনার মুখের ব্রণ কমবে এবং এর পাশাপাশি আপনার ত্বককে আদ্রতার ভাব এনে দিবে।
  5. শক্তি যোগাতেঃ সকালে খালি পেটে পানি পান করার ফলে আমাদের শরীরের এনার্জি তাৎক্ষণিকভাবে বেড়ে যায়। এতে করে আপনার সকালে শরীর পুরোটা ডিহাইড্রেশন যুক্ত থাকে। এবং আপনার ক্লান্তি বোধটা কমে যায়।

আশা করি বুঝতে পেরেছেন পানি খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা বা সকালে খালি পেটে পানি পান করলে কি কি উপকারিতা হয়।

সকালে পানি খাওয়ার নিয়ম

এতক্ষণে আশা করি জানতে পেরেছেন সকালে খালি পেটে যদি আপনি পানি খান তাহলে এতে করে আপনার কি কি উপকারিতা হতে পারে এ সম্পর্কে। সুতরাং সকাল বেলা খালি পেটে পানি পান করা এটি প্রত্যেকটা ব্যক্তির জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ। 

তবে সকালে পানি খাওয়ার কি কি নিয়ম রয়েছে আপনি কি কি উপায়ে পানি পান করবেন, চলুন জেনে আসি। আপনি সকালে পানি পান করার নিয়ম হলো, আপনি যখন পানি পান করবেন তখন পানি পান করার ১/২ ঘন্টা বা ১ ঘন্টা পরে কিছু না খাওয়াই ভালো। 

কারণ এই পানিটা যখন আপনার শরীরের ভিতরে যায় তখন এটি ঔষধের কাজ শুরু করে দেয়। অর্থাৎ এটি আপনার শরীরের বিপাক প্রক্রিয়ার কাজ গুলা শুরু করে দেয়। সুতরাং আপনি যখন পানি পান করবেন এরপরে, .২ ঘণ্টা পর আপনি নাস্তা করবেন। 
এতে করে কি হবে আপনার শরীরে পানিটা যাওয়ার পরে সে পুরোপুরি তার কাজটা সেরে নিতে পারবে। এবং প্রত্যেকদিন সকালে নিন নেই .৩ থেকে ৪ গ্লাস পানি পান করবেন। আশা করি সকালে পানি কিভাবে খাবেন কোন নিয়মে খাবেন এ সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।

সর্বশেষ কথা

প্রিয় পাঠক মন্ডলী, পানি খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা কি এসব সম্পর্কে জানলেন, এবং এর পাশাপাশি পানি কিভাবে পান করলে আপনি আপনার শরীরকে সুস্থ রাখতে পারবেন। এবং সকালে খালি পেটে যদি আপনি পানি খান তাহলে আপনার কি কি উপকারিতা হবে। 

এবং তার পাশাপাশি যদি আপনি পানি পর্যাপ্ত পরিমাণে না পান করেন তাহলে আপনার কি কি রোগ হতে পারে, এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। সুতরাং আমাদের পোস্টটি যদি আপনাদের কাছে ভালো লেগে থাকে অবশ্যই কমেন্টে জানিয়ে দিবেন। এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন যেন তারা উপকৃত হতে পারে, ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ব্লগার জাফর সাহেবের নিতিমালা মেনে কমেন্ট করুন

comment url