মোবাইল দিয়ে ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম
আজকে আমরা জানবো মোবাইল দিয়ে ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম কি? আপনি কি সত্যিই মোবাইল দিয়ে ইউটিউব চ্যানেল খুলে ইনকাম করতে চান?
যদি তাই হয় তাহলে আপনি আর দেরি না করে এক্ষুনি জেনে নিন মোবাইল দিয়ে ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম কি এ সম্পর্কে। সকলের কাছেই ল্যাপটপ কিংবা পিসি থাকে না, সুতরাং মোবাইল দিয়ে যে আপনি প্রফেশনাল ইউটিউব চ্যানেল খুলতে পারবেন এ সম্পর্কে আজকে জানতে পারবেন।
মোবাইল দিয়ে ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম
বর্তমান সময়ে ডিজিটাল কিংবা অনলাইনে অনেক পদ্ধতিতে ইনকামের পদ্ধতি রয়েছে। মোবাইল দিয়ে ইউটিউব চ্যানেল খুলে সেখান থেকে ইনকাম। বর্তমান সময়ে অনেকেই মোবাইল দিয়ে ইউটিউব চ্যানেল খুলে সেখানে ভিডিও আপলোড করে তার নিজস্ব কন্টেন্ট আপলোড করে ইনকাম করতেছে মনিটাইজেশনের মাধ্যমে। আপনি কেন পারবেন না?
আরো পড়ুনঃ ভিডিও দেখে টাকা ইনকাম করার অ্যাপস ২০২৪
আপনিও পারবেন মোবাইল দিয়ে ইউটিউব থেকে ভিডিও আপলোড করে ইনকাম করতে। তো এজন্য আপনার প্রথম এই দরকার একটি সঠিক গাইডলাইন। কারণ সঠিক গাইডলাইন না থাকলে আপনি হাজারও চ্যানেল খুললেও সেখান থেকে কন্টেন্ট আপলোড পদ্ধতি অনুযায়ী না করলে ইনকাম করতে পারবেন না।
ইউটিউব চ্যানেল খোলার জন্য কী কী লাগে
বর্তমান সময়ে ইউটিউব একটি জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম, যেখানে শুধু বিনোদন নয়, শিক্ষা, তথ্য, এমনকি আয়েরও সুযোগ রয়েছে। তবে অনেকেই মনে করেন ইউটিউব চ্যানেল খোলার জন্য বড় সরঞ্জাম বা ব্যয়বহুল সেটআপ লাগে। আসলে সত্য হলো—মোবাইল দিয়েই সহজে একটি ইউটিউব চ্যানেল শুরু করা যায়। তবে শুরু করার আগে কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস ও প্রস্তুতি থাকা জরুরি।
১. একটি স্মার্টফোনঃ সবচেয়ে জরুরি জিনিস হলো একটি অ্যান্ড্রয়েড বা আইফোন স্মার্টফোন। এখনকার যেকোনো সাধারণ স্মার্টফোন দিয়ে ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করা যায়। ভিডিও রেকর্ড করার জন্য ভালো মানের ক্যামেরা থাকলে সেটা অতিরিক্ত সুবিধা দেবে।
২. ইন্টারনেট সংযোগঃ দ্রুত এবং স্থিতিশীল ইন্টারনেট সংযোগ প্রয়োজন, কারণ ভিডিও আপলোড করতে ডেটা খরচ হয়। ওয়াই-ফাই বা ভালো মানের মোবাইল ডাটা ব্যবহার করলে চ্যানেল পরিচালনা করা সহজ হয়।
৩. জিমেইল অ্যাকাউন্টঃ ইউটিউব চ্যানেল খোলার জন্য একটি গুগল বা জিমেইল অ্যাকাউন্ট বাধ্যতামূলক। এই জিমেইল আইডির মাধ্যমেই আপনি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে পারবেন, ভিডিও আপলোড করতে পারবেন এবং পরবর্তীতে চ্যানেল মনিটাইজেশনও করতে পারবেন।
৪. কনটেন্ট আইডিয়াঃ শুধু চ্যানেল খোললেই হবে না, নিয়মিত কনটেন্ট তৈরি করতে হবে। তাই চ্যানেল খোলার আগে আপনার কী ধরণের ভিডিও বানাবেন সেটার একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা থাকা দরকার। যেমন—শিক্ষামূলক ভিডিও, রেসিপি, ভ্লগ, টেক টিউটোরিয়াল ইত্যাদি।
৫. ইউটিউব অ্যাপঃ আপনার মোবাইলে ইউটিউব অফিসিয়াল অ্যাপটি ইন্সটল করা থাকতে হবে। প্রয়োজনে “YouTube Studio” অ্যাপও ডাউনলোড করে নিতে পারেন, যেটি দিয়ে সহজে ভিডিও ম্যানেজ করা যায়।
৬. প্রাথমিক ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যারঃ চ্যানেলকে আকর্ষণীয় করতে ভিডিও এডিটিং গুরুত্বপূর্ণ। মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য InShot, Kinemaster, CapCut ইত্যাদি ফ্রি অ্যাপ ব্যবহার করা যায়।
মোবাইল দিয়ে ইউটিউব চ্যানেল খোলার ধাপ
বর্তমান যুগে শুধু একটি স্মার্টফোন ব্যবহার করেই ইউটিউব চ্যানেল খোলা যায়। ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ ছাড়াও মোবাইল থেকে খুব সহজে চ্যানেল তৈরি করা সম্ভব। নিচে ধাপে ধাপে পুরো প্রক্রিয়াটি তুলে ধরা হলো:
ধাপ–১: ইউটিউব অ্যাপ চালু করুনঃ প্রথমে আপনার মোবাইলে অফিসিয়াল ইউটিউব অ্যাপটি চালু করুন। অ্যাপটি না থাকলে গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপ স্টোর থেকে ডাউনলোড করে নিন।
ধাপ–২: জিমেইল অ্যাকাউন্টে লগইন করুনঃ ইউটিউব চ্যানেল খোলার জন্য অবশ্যই একটি জিমেইল অ্যাকাউন্ট দরকার হবে। আপনার যদি আগে থেকেই জিমেইল থাকে, তাহলে সেটি দিয়ে লগইন করুন। আর না থাকলে নতুন জিমেইল আইডি খুলে নিন।
ধাপ–৩: প্রোফাইল আইকনে ক্লিক করুনঃ ইউটিউব অ্যাপে ঢোকার পর ডান দিকের উপরে থাকা প্রোফাইল আইকনে ক্লিক করুন। সেখানে আপনার অ্যাকাউন্ট সেটিংস দেখা যাবে।
ধাপ–৪: “Your Channel” অপশন নির্বাচন করুনঃ প্রোফাইল মেনুতে ঢুকলে “Your Channel” নামের একটি অপশন আসবে। এটিতে ক্লিক করুন। এখন একটি নতুন পেজ ওপেন হবে, যেখানে আপনি আপনার চ্যানেলের নাম এবং অন্যান্য তথ্য দিতে পারবেন।
ধাপ–৫: চ্যানেলের নাম দিনঃ এবার আপনার ইউটিউব চ্যানেলের জন্য একটি উপযুক্ত নাম লিখুন। নামটি সহজ, ইউনিক এবং চ্যানেলের কনটেন্টের সাথে মিল আছে এমন হওয়া উচিত।
ধাপ–৬: প্রোফাইল ছবি ও কভার যোগ করুনঃ চ্যানেলের জন্য একটি প্রোফাইল ছবি এবং কভার ফটো দিন। চাইলে আপনার নিজের ছবি বা লোগো ব্যবহার করতে পারেন। এগুলো আপনার চ্যানেলকে আরও আকর্ষণীয় করবে।
ধাপ–৭: চ্যানেল তৈরি সম্পন্নঃ সব তথ্য দেওয়ার পর “Create Channel” বাটনে ক্লিক করুন। তাহলেই আপনার ইউটিউব চ্যানেল তৈরি হয়ে যাবে।
ধাপ–৮: প্রাথমিক সেটিংস করুনঃ চ্যানেল খোলার পর “YouTube Studio” অ্যাপ ব্যবহার করে চ্যানেলের About, Description, এবং অন্যান্য প্রাথমিক সেটিংস ঠিক করে নিন।
ইউটিউব চ্যানেলের জন্য জিমেইল অ্যাকাউন্ট তৈরি
ইউটিউব চ্যানেল খোলার জন্য একটি জিমেইল (Gmail) অ্যাকাউন্ট থাকা বাধ্যতামূলক। কারণ ইউটিউব হলো গুগলের একটি প্ল্যাটফর্ম এবং সমস্ত কার্যক্রম পরিচালিত হয় জিমেইল আইডির মাধ্যমে। তাই যারা নতুন ইউটিউব চ্যানেল খুলতে চান, তাদের প্রথম কাজ হবে একটি জিমেইল অ্যাকাউন্ট তৈরি করা। মোবাইল ব্যবহারকারীরা খুব সহজেই এটি করতে পারেন।
ধাপ–১: সেটিংসে “Add Account” অপশন নির্বাচনঃ আপনার মোবাইলের Settings-এ যান এবং সেখানে “Accounts” বা “Google Accounts” অপশন খুঁজুন। সেখানে গিয়ে Add Account এ ক্লিক করুন।
ধাপ–২: গুগল অ্যাকাউন্ট নির্বাচনঃ এখন গুগল নির্বাচন করুন। আপনাকে একটি নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরি করার অপশন দেখাবে। “Create Account” বেছে নিন।
ধাপ–৩: নাম ও মৌলিক তথ্য দিনঃ প্রথমে আপনার নাম (First Name এবং Last Name) লিখুন। এরপর জন্ম তারিখ এবং লিঙ্গ (Gender) নির্বাচন করুন। এই তথ্যগুলো সঠিকভাবে দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
ধাপ–৪: ইমেইল ঠিকানা নির্বাচন করুনঃ গুগল আপনাকে কিছু সাজেস্টেড ইমেইল আইডি দেবে। চাইলে আপনি নিজেও একটি ইউনিক ইমেইল আইডি তৈরি করতে পারবেন। উদাহরণস্বরূপ: mychannelname@gmail.com
ধাপ–৫: পাসওয়ার্ড তৈরি করুনঃ একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন যাতে অক্ষর, সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্ন থাকে। পাসওয়ার্ডটি মনে রাখুন, কারণ এটি পরবর্তীতে লগইনের সময় লাগবে।
ধাপ–৬: মোবাইল নম্বর ভেরিফাই করুনঃ অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তার জন্য গুগল আপনার মোবাইল নম্বর চাইবে। নম্বর দিলে একটি OTP কোড আসবে, সেটি দিয়ে ভেরিফাই করুন।
ধাপ–৭: শর্তাবলী গ্রহণ করুনঃ সবশেষে গুগলের টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশন পড়ে “I Agree” বা “Accept” বাটনে ক্লিক করুন।
ইউটিউব চ্যানেলের নাম ঠিক করার নিয়ম
চ্যানেল তৈরি করার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ হলো চ্যানেলের নাম নির্ধারণ করা। কারণ চ্যানেলের নাম আপনার ব্র্যান্ডকে উপস্থাপন করে। দর্শকরা নাম দেখে আপনার কনটেন্ট সম্পর্কে ধারণা পায়। তাই সঠিক নাম নির্বাচন করা অত্যন্ত জরুরি।
- সহজ ও মনে রাখার মতো নাম রাখুনঃ চ্যানেলের নাম যেন ছোট, সহজ এবং মনে রাখার মতো হয়। যেমন: “TechWorld BD” বা “Cooking Tips 360”। জটিল বা দীর্ঘ নাম এড়িয়ে চলা উচিত।
- কনটেন্ট সম্পর্কিত নাম ব্যবহার করুনঃ আপনি যদি টেকনোলজি ভিডিও বানান, তবে নামের মধ্যে টেক সম্পর্কিত শব্দ থাকতে পারে। আবার রেসিপি চ্যানেল হলে “Kitchen”, “Food”, বা “Recipe” শব্দ যোগ করা যেতে পারে।
- ইউনিক নাম বেছে নিনঃ নাম এমন হতে হবে যা আগে থেকে অন্য কেউ ব্যবহার করছে না। ইউটিউবে বা গুগলে সার্চ দিয়ে দেখে নিতে পারেন আপনার পছন্দ করা নাম আগে থেকে আছে কিনা।
- ভাষা ও অডিয়েন্স বিবেচনা করুনঃ যদি আপনার দর্শক বাংলা ভাষাভাষী হয়, তবে বাংলায় চ্যানেলের নাম দিতে পারেন। আবার আন্তর্জাতিক দর্শকের জন্য ইংরেজি নাম ভালো কাজ করবে।
- ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা মাথায় রাখুনঃ আপনার চ্যানেল ভবিষ্যতে যেদিকে নিয়ে যেতে চান, সেই অনুযায়ী নাম ঠিক করুন। খুব সীমাবদ্ধ নাম দিলে পরে কনটেন্ট বাড়ানোর সময় সমস্যায় পড়তে পারেন।
ইউটিউব চ্যানেল ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া
চ্যানেল খোলার পর সেটি ভেরিফাই করা জরুরি। কারণ ভেরিফিকেশন করলে আপনার চ্যানেল আরও বিশ্বাসযোগ্য হয় এবং অনেক অতিরিক্ত সুবিধা পাওয়া যায়। যেমন—১০ মিনিটের বেশি ভিডিও আপলোড করার সুযোগ, কাস্টম থাম্বনেইল ব্যবহার, লাইভ স্ট্রিম করার সুযোগ ইত্যাদি।
পিক
ধাপ–১: ইউটিউব সেটিংসে যানঃ ইউটিউব অ্যাপ বা ব্রাউজার থেকে আপনার চ্যানেলের প্রোফাইল আইকনে ক্লিক করে Settings-এ যান।
ধাপ–২: Channel Status & Features: সেটিংস থেকে “Channel” মেনুতে ঢুকে “Status and Features” বা “Channel Verification” অপশন খুঁজুন।
ধাপ–৩: ফোন নম্বর দিনঃ ভেরিফিকেশনের জন্য আপনার একটি মোবাইল নম্বর দিতে হবে। দেশ নির্বাচন করে ফোন নম্বর লিখুন।
ধাপ–৪: OTP কোড ভেরিফাই করুনঃ গুগল আপনার মোবাইলে একটি কোড পাঠাবে। সেই কোড বক্সে লিখে সাবমিট করুন।
ধাপ–৫: ভেরিফিকেশন সম্পন্নঃ সঠিক কোড দিলে আপনার চ্যানেল ভেরিফাই হয়ে যাবে। এরপর আপনার অ্যাকাউন্টে অতিরিক্ত সুবিধাগুলো চালু হবে।
ইউটিউব চ্যানেল সেটিংস কিভাবে করতে হয়
চ্যানেল তৈরি হয়ে গেলে সেটিংস সঠিকভাবে করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক সেটিংস আপনার চ্যানেলকে পেশাদার করে তোলে এবং দর্শক সহজে কনটেন্ট খুঁজে পায়।
১. চ্যানেলের About সেকশন পূরণ করুনঃ আপনার চ্যানেল সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বর্ণনা লিখুন। এতে দর্শক বুঝতে পারবে আপনার ভিডিও কিসের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়।
২. প্রোফাইল ও কভার ছবি দিনঃ আকর্ষণীয় প্রোফাইল ছবি এবং চ্যানেল আর্ট (কভার ফটো) যুক্ত করুন। এগুলো ব্র্যান্ড আইডেন্টিটি তৈরি করতে সাহায্য করে।
৩. কনট্যাক্ট ইনফরমেশন দিনঃ যদি আপনার ব্যবসা বা ব্র্যান্ড থাকে, তাহলে কনট্যাক্ট ইমেইল যোগ করতে ভুলবেন না।
৪. লিঙ্ক যুক্ত করুনঃ আপনার ফেসবুক পেজ, ইনস্টাগ্রাম বা ওয়েবসাইটের লিঙ্ক চ্যানেলে যোগ করুন। এতে দর্শকরা অন্য প্ল্যাটফর্মেও আপনাকে ফলো করতে পারবে।
৫. প্লেলিস্ট তৈরি করুনঃ ভিডিওগুলো আলাদা ক্যাটাগরিতে সাজিয়ে রাখতে প্লেলিস্ট তৈরি করুন। এতে দর্শকদের জন্য ভিডিও খুঁজে পাওয়া সহজ হয়।
৬. চ্যানেল সেটিংস থেকে কীওয়ার্ড দিনঃ YouTube Studio → Settings → Channel → Basic Info-তে গিয়ে প্রাসঙ্গিক কীওয়ার্ড দিন। এগুলো সার্চ রেজাল্টে আপনার চ্যানেলকে সহায়তা করবে।
ইউটিউব থেকে আয় করার উপায়
ইউটিউব শুধু ভিডিও দেখার প্ল্যাটফর্ম নয়, আয়ের একটি বড় মাধ্যমও। তবে ইউটিউব থেকে আয় করতে হলে কিছু নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হয়।
- ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রাম (YPP): আয় করতে হলে প্রথমে আপনার চ্যানেলকে ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামে যোগ দিতে হবে। এজন্য শর্ত হলো:
- গত ১২ মাসে ১,০০০ সাবস্ক্রাইবার
- ৪,০০০ ঘন্টা ওয়াচ টাইম
- বিজ্ঞাপন থেকে আয়ঃ YPP-তে যোগ দেওয়ার পর আপনার ভিডিওতে বিজ্ঞাপন দেখানো হবে এবং সেই বিজ্ঞাপন থেকে আয় হবে।
- চ্যানেল মেম্বারশিপঃ সাবস্ক্রাইবাররা মাসিক ফি দিয়ে আপনার চ্যানেলের মেম্বার হতে পারে। এতে বিশেষ কনটেন্ট দেখার সুযোগ পায়।
- সুপার চ্যাট ও সুপার স্টিকারঃ লাইভ স্ট্রিম করার সময় দর্শকরা আপনাকে অর্থ পাঠাতে পারে সুপার চ্যাট বা স্টিকারের মাধ্যমে।
- অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংঃ আপনার ভিডিওর বর্ণনায় অ্যাফিলিয়েট লিংক যোগ করে পণ্য বিক্রি করতে পারেন। এর মাধ্যমে কমিশন আয় হয়।
- স্পনসরশিপঃ চ্যানেল বড় হলে বিভিন্ন কোম্পানি আপনার ভিডিওতে স্পন্সর করতে আগ্রহী হবে।
নতুনদের জন্য ইউটিউব চ্যানেল খোলার টিপস
শুধু চ্যানেল খোলাই যথেষ্ট নয়, নতুনদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস মেনে চলা জরুরি।
- একটি নির্দিষ্ট নিস (Niche) বেছে নিনঃ যেমন—শিক্ষামূলক ভিডিও, টেক টিউটোরিয়াল, রান্না, ট্রাভেল ইত্যাদি। নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে কাজ করলে দ্রুত দর্শক পাওয়া যায়।
- নিয়মিত কনটেন্ট আপলোড করুনঃ সপ্তাহে অন্তত ২–৩টি ভিডিও আপলোড করার চেষ্টা করুন। নিয়মিত ভিডিও দিলে সাবস্ক্রাইবার বাড়ে।
- মানসম্মত কনটেন্ট তৈরি করুনঃ ভিডিওর কোয়ালিটি ও অডিও স্পষ্ট রাখুন। দরকার হলে মোবাইলের সাথে ছোট ট্রাইপড বা মাইক্রোফোন ব্যবহার করতে পারেন।
- SEO ব্যবহার করুনঃ ভিডিওর টাইটেল, বর্ণনা এবং ট্যাগে সঠিক কীওয়ার্ড ব্যবহার করুন। এতে ভিডিও সার্চ রেজাল্টে আসবে।
- দর্শকের সাথে যোগাযোগ রাখুনঃ ভিডিওতে আসা কমেন্টের উত্তর দিন। এতে দর্শকরা আপনার সাথে কানেক্টেড বোধ করবে।
- ধৈর্য ধরুনঃ ইউটিউবে সফলতা একদিনে আসে না। ধৈর্য ধরে নিয়মিত ভিডিও বানাতে হবে।
এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url